বউয়ের সাথে রো*মা*ন্স* করায় ব্যস্ত আমি। দরজা জানালা সব অফ। বউ আজকে অনেক হ*ট* হয়ে গেছে। আমার থেকেও তার স্পিড বেশি। অবলার মত আমি শুয়ে আছি,বউ হামলা চালাচ্ছে।

Girls Fact News




 বউয়ের সাথে রো*মা*ন্স* করায় ব্যস্ত আমি। দরজা জানালা সব অফ। বউ আজকে অনেক হ*ট* হয়ে গেছে। আমার থেকেও তার স্পিড বেশি। অবলার মত আমি শুয়ে আছি,বউ হামলা চালাচ্ছে।


পাক্কা ৩ ঘন্টা পার হয়ে গেছে। এদিকে ঘুমের ১২.০০ টা বেজে ১.০০ টার কাছাকাছি। রাত সাড়ে তিনটা পার হতে যাচ্ছে। আজকের ম*ধুরত্ব একটু বেশি। কৌতূহলী দুজনই। মিশে গেলাম একে অপরের সাথে। ঘামে দে*হ পিচ্ছিল হয়ে গেছে। ঢুবে আছি মধুর সম্পর্কে।

ঠিক তখনি কেও কাশি দিয়ে উঠলো। আমি আর আমার বউ মহুয়া লাফ মে*রে উঠেছি। কিসের রো*মাঞ্চ, আগে জামা পড়লাম। বউ ও শাড়ি কোনোভাবে পেছিয়ে বসে আছে। জানালার কাচ ভেদ করে, চাঁদনী আলো রুমে আসলেও, এই অসময়ে কা*শি দিলো কে। এতটা সিরিয়াস হয়েছি কেনো,তার কারণ খুব সোজা। এই বাসায় আমরা উঠেছি ৪ দিন হলো। মহুয়ার মা বাবা আমাকে মেনে নেয়নি। অবশ্য এর শ্রেষ্ঠতম কারণ হচ্ছে, আমি নাকি গরীব । একটা জব করি ছোটখাট। মাসে ১৯ হাজার বেতন। এতেও নাকি কম। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি পালিয়ে বিয়ে করবো। অবশেষে সাকসেস হলাম। কিন্তু এই বাসার আশেপাশে কোনো বাসা নেই। বাসার এডভান্স দিয়ে,গত সাপ্তাহে এই বাসা ঠিক করছি। নদীর পাড়ে একটা দৌতলা বিল্ডিং। বাড়ির পিছনে নদী,ব্যালকনি থেকে স্পষ্ট দেখা যায়। সামনে ছোট একটা মাঠ,এরপর জনবহুল এলাকা। বউয়ের সাথে এখানে যুদ্ধ করলেও কেও টের পাবেনা। একমাত্র এজন্যই মিলন করার মাঝে লাফ দিলাম। কা*শিটা কে দিলো? তাও এত রাত?


বউ বলছে বাসায় নাকি চো*র ঢুকছে। আমি ভাবতেছি কেও লুকিয়ে আমাদের তামাসা দেখছে। কিন্তু কাহিনি কি। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম,বাহিরে দেখে আসি। আমি বিছানা থেকে উঠতেই মহুয়া আমার হাতটা ধরে বলল" সাবধানে"। আমিও মাথা নাড়িয়ে হ্যা সূচক ইঙিত দিলাম। রুমের দরজা খুলে বের হয়ে,ফোনের ফ্লাশ লাইট অন করছি। নিছের তলা সহ, বাহিরে আশপাশ সব দেখে আসলাম। মানুষ তো দূরে থাক,একটা বিড়ালও নেই। যাইহোক প্রচন্ড ঠান্ডা বাতাস বইছে। এতক্ষন ক্রিকেট খেলায় ছিলাম,তাই গরম ছিলো । এখন আবার যাই তাইলে। দরজা বন্ধ করে বাসায় গেলাম। সিড়ি বেয়ে উপরে উঠার সময়,কেমন একটা খচখচে শব্দ ফেলাম। কান খাড়া করে শুনছি আমি শব্দটা। আমার রুম থেকেই আসছে। ওহ মাই গড, মহুয়া তো রুমে একা। দৌড়ে চলে এসেছি নিজের রুমে।এসে দেখি মহুয়া বিছানায় নেই। বুক ধুকধুক করে কেপে উঠলো। কোথায় গেলো মেয়েটা। দৌড়ে ব্যালকনিতে গিয়ে দেখি,সেখানেও নেই। আবার রুমে আসতেই ভাওও করে শব্দ করে উঠে মহুয়া। আমাকে ভয় দেখিয়েছে। এদিকে আমার প্রান চলে যাচ্ছিলো,আর সে আসছে মজা করতে।

- ঠাসসস*সসসসস

- মা*রলা কেনো? একটু মজা করলাম( কান্না করে দিলো ভ্য ভ্য করে)

- তো কি নাচ করবো? কতটা চিন্তায় ফেলে দিছিলা বুঝো?

- তুমি আমাকে এতোই ভালোবাসো?

- হুম কু*ত্তি।

- ওলে আমাল ভাভুতা,উ*ম্মাহ


আবার শুরু হইছে আরকি। থাক, সেদিকে আপনারা না যাওয়াটাই ভালা। পরেরদিন অফিস করে বাসায় ফিরলাম সন্ধ্যা। কলিং বেল বাজাচ্ছি,কিন্তু দরজা খোলার নামও নেই। মহুয়া মহুয়া বলে কয়েকবার ডাকও দিয়েছি। তাও তার কোনো সাড়াশব্দ নেই। রাগে দরজায় লাথি মারতেই দেখি,দরজা খোলা। একি? দরজা খোলা কেন মহুয়া কোথায়।হাত থেকে ব্যাগটা ফেলে দিয়ে দৌড়ে গেলাম উপরে। মহুয়া রুমে নেই। আবার চলে আসলাম নিছে। নিছের সব রুম চেক করা শেষ,কোথাও নেই মহুয়া । বাথরুম, কিচিং রুম, ড্রইংরুম, বেডরুম কোথাও নেই। তাহলে কোথায় মহুয়া। ওহ শিট,ব্যালকনি তো দেখা হয়নি । আবার দৌড়ে গিয়ে ব্যালকনিতে উপস্থিত হলাম। গিয়ে দেখি,মহুয়া মাথার সব চুল ছেড়ে দিয়ে, নদীর পাড় দেখছে । এদিকে আমি তাকে খুজতে খুজতে হয়রান,আর সে নদী দেখে। রাগে দৌড়ে গিয়ে ঘাড় ধরে আমার দিকে মুখ করালাম।এরপর কষিয়ে একটা থা*প্পড় মে*রে দিছি।মহুয়া থাপ্পড় খেয়েও,সোজা ভাবে দাঁড়িয়ে আছে। কথা বার্তা কিছুই নাই। আরো বেশি রাগ হলো। এরপর ওর গাল দুইটা ধরে বললাম," এমন কেন তুমি? এভাবে কেও চুপ মেরে থাকে?"। নাহ,তাও সে কথা বলছে না। এবার উচ্চস্বরে একটা ধমক দিলাম। তাও সে চুপটি মে*রে দাঁড়িয়ে আছে । আমার ধমকে সে সবসময় কান্না করে দিতো। কিন্তু আজ কি হলো কে জানে । আমি তাকে আরো কথা জিজ্ঞেস করছি,কিন্তু সে কথার মাঝেই পিছন ফিরে রুমে চলে গেলো। বুঝলামনা মেয়েটির কাহিনী । ও হটাৎ এমন অদ্ভুতুড়ে আচরণ কেনো করছে। আমিও ওর পিছন পিছন রুমে গেলাম। গিয়ে দেখি ফ্লোরে অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে আছে । ফ্লোরে পড়ে থাকতে দেখে দৌড়ে যাই আমি । কয়েকবার ডাকার পর সে চোখ মেলে তাকালো। ওর চোখের চাহনি দেখে আমার দেহের লোমকূপ দাঁড়িয়ে গেছে। চোখ বড় করে তাকিয়েছে । মনে হচ্ছে এক্ষুনি আমাকে মেরে ফেলতে যাবে । ভয়ে আমি ছেড়ে দিলাম মহুয়াকে । এরপর সে শোয়া থেকে উঠে সোজা বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়লো। কি যে হলো মেয়েটার কে জানে।


আমি আবার তার পাশে বসে বললাম," তোমার কি শ*রীর খারাপ? নাকি রাগ করছো। রাতে খেয়েছে কি? "। আমার প্রশ্ন আমি করেই যাচ্ছি,কিন্তু মহু*য়ার কোনো উত্তর পাচ্ছিনা। যাইহোক, আগে দরজা বন্ধ করে আসি। এরপর দেখি কি করা যায়। আমি রুম থেকে বের হয়ে, বাসার দরজা জানালা অফ করে দিলাম। খাবার টেবিলে খাবার ও নেই। তারমানে মহুয়া আজ রান্না করেনি। যাজ্ঞে,দুপুরের খাবার এখনো পেট ভরে রেখেছে । খাওয়ার দরকার নেই। উপাস হয়ে চলে গেলাম রুমে। মহুয়া বিছানায় শুয়েই আছে । আমি আরো কয়েকবার কথা বলার চেষ্টা করেছি,কিন্তু সে তো চুপ হয়েই আছে। চিত হয়ে শুয়ে আছে। আবার ভাবলাম,হয়তো আমার সাথে মজা করতেছে । তাই দুষ্টুমির ভূত চাপলো মাথায়।আমি সোজা ওর গায়ের উপর উঠে কিস করতে শুরু করি।* এদিকে তার কোনো রিয়েকশন নেই। পর পরেই ওর *ব্রা এর হুকটা খুলতে, মাত্র বোতামে হাত দিছি। ওমনি মহুয়া আমার কলার ধরে ছু*ড়ে মা*রে।আমি হাওয়ায় ভেসে উড়ে গিয়ে বিছানা থেকে ফ্লোরে পড়ে গেছি। ওহ মাই গড, এই মেয়ের এত শক্তি আসলো কিভাবে। মহুয়া আমাকে নিক্ষেপ করে আবার শান্তভাব নিয়ে শুয়ে পড়ছে।আমি ওর কান্ড দেখে অবাক হচ্ছি শুধু। যাইহোক, আর ডি*স্টার্ব না করাটাই শ্রেয়। নয়তো আবার কি না কি করে। আবার আমি ফ্লোর থাকে উঠে ওর পাশে শুয়ে পড়লাম। মা*দারটুস্ট বলে একটা গা*লিও দিছি ( মনে মনে)


খিদার য*ন্ত্রণাগ্র*স্ত চাপ আমি নিতে পারছিনা। কুকাতে কুকাতে একসময় চোখ লেগে আসে। তলিয়ে গেলাম ঘুমের ভিতর।

হটাৎ বিড়বিড় করে একটা শব্দ কানে আসলো।আমি মহুয়ার উল্টো দিকে মুখ করে শুয়ে আছি। চোখটা মেলেই কান খাড়া করে শুনছি। মনে হচ্ছে আমার পিছনে মহুয়া বিড়বিড় করে কিছু বলে যাচ্ছে। একবার ভাবছি মাথা ঘুরে দেখবে। আবার ভাবছি,যদি এবার লা*ত্থি মা*রে?। কিন্তু আমাকে তো দেখতেই হবে। ধুপ করে মাথা ঘুরিয়ে দেখি, মহুয়া মহুয়ার মতোই শুয়ে আছে। পুরো রুম স্তব্ধ। একেবারে ঠান্ডা। ব্যাপারটা মাথায় ঢুকলোনা। বিড়বিড় শব্দটা এমন ভাবে শুনছিলাম,মনে হয়েছিলো মহুয়া বসে বসে বিড়বিড় করছে। কিন্তু সে তো ঘুম। তবে কে করলো বিড়বিড়। অদ্ভুত সব কান্ড ঘটছে। এদিকে পেটের ভিতর পাকস্থলী আমাকে বলতাছে পানি খাইতে। অর্থাৎ পানি খেতে হবে।টেবিল হাতিয়ে দেখি,জগ খালি।উফফ য*ন্ত্রণা। নিছে গিয়ে পানি খেতে হবে। শুয়া থেকে উঠে আমি রুম থেকে বের হলাম। সিঁড়ি দিয়ে নিছে নেমে, ড্রইংরুম এর উপর থেকে জগটা নিতে যাবো,তখনি দেখি দরজার সামনে কেও দাঁড়িয়ে আছে। পায়ের তালু থেকে শুরু করে, মাথার চুলের আগা অব্দি আমার শীতল হয়ে গেছে । এই বাড়িতে আমি আর মহুয়া ছাড়া কেও থাকেনা। তবে এই তৃতীয় ব্যক্তি কে। সাহস করে একটু সামনে গিয়েই দেখি,ওটা আর কেও নয়,মহুয়া দাঁড়িয়ে আছে চোখ বড় করে। পানির গ্লাস ফ্লোরে রেখে এক দৌড় দিলাম রুমের দিকে।কোনোভাবে রুমে গিয়েই রুমের দরজা অফ করে দিলাম।দরজা লক করে ঘুরে দেখি মহুয়া বিছানায় নেই। আল্লাহ,কি হচ্ছে এসব। দৌড়ে ব্যালকনিতে গিয়ে দেখি,মহুয়া ব্যালকনিতে। রাত ১ টা বাজে।ও এখানে কেন।ঘাবলা তো আছেই।আমি মহুয়ার দিকে এগিয়ে যাওয়ার পূর্বে আবার রুমের দিকে দেখলাম,কেও আছে কিনা।নাহহ,রুমে তো কেও নেই।এরপর মহুয়ার দিকে মাথা ঘুরাতেই দেখি,

জায়গা ফাকা

খাইলাম ছ্যাকা।


অর্থাৎ মহুয়া ব্যালকনিতে নেই। বাড়িতে ভূত ঢুকছে মনে হয়। তাড়াতাড়ি আবার রুমে ঢুকে গেলাম। ঢুকে দেখি মহুয়া বিছানায়। শিট,হচ্ছেটা কি এসব। মহুয়ার দিকে ভালো ভাবে তাকানোর আগেই রুমের দরজা কেও ধাক্কা দিতে লাগলো।আমি দরজার দিকে তাকিয়ে আবার বিছানায় তাকিয়ে দেখি,মহুয়া নেই। এখন কি হবে?


চলবে.....?



Post a Comment

Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.