Posts

দিদির ❤️ ভালোবাসা

Girls Fact News

দিদির ❤️ ভালোবাসা


আমি রাহাত।
ঢাকার বসুন্ধরায় থাকি একমাত্র আপুর সাথে। আমার ও আপুর জীবনে আমরা ছাড়া আর কেও নেই। আমরাই দুজন দুজনের সবকিছু। বাবা ছোট থাকতে মারা যায় আর মা করোনায়। তখন থেকে আপুই আমার সবকিছু। আমার চাওয়া পাওয়া সবই আপু খেয়াল রাখে। আমাদের মাথা গোজার জন্য বাবার রেখে যাওয়া একটা ফ্লাট ছাড়া আমাদের আর কিছুই নেই। তাই আপু একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করে আমরা বেশ চলছি।

এখন আসি আপুর ও আমার বর্ণনায়। আমি ২৪ বছর বয়সী ভার্সিটি পড়ুয়া মাঝারি ফিটনেসের একটা ছেলে। উচ্চতা ৫.৮। আর আমার বাড়ার মাপ ৮ ইন্চি। যাইহোক আপু বলে আমি নাকি বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর ছেলে। আপু ভালোবাসে বলেই বলে তা স্বাভাবিক। তবে আমি দেখতে আসলেই কিউট ও সুন্দর। আর আপুর কথা যদি বলি তাহলে কেও না দেখলে বিশ্বাস করানো মুশকিল। ফিগারটা ইন্ডিয়ান যেকোনো নায়িকা আসুক, তাকে হার মানাবে। ৩৪-৩০-৩৪ সাইজের ফিগারে আপু বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতা করলে প্রথমেই ফাইনাল করে জিতে যাবে।

যাইহোক আপুর শরীরের প্রতি আমার কখনো খারাপ নজর ছিলনা। হঠাত একদিন দুপুরে রুম থেকে বের হয়ে কিচেনে পানি খেতে যাচ্ছিলাম। ঠিক তখনই আপুর রুম থেকে কেমন যেন গোঙানির শব্দ পেলাম। দরজা আটকানো বলে কিছু দেখতে পাচ্ছিনা। বুঝতে পারছিলাম না কিসের শব্দ। ধীরে ধীরে খেয়াল করে বুঝলাম কেও ব্যাথা পেলে এমন করে। তখনও কোনো ধারনা হয়নি ভিতরে কি হচ্ছে। পর্ন সরদার হয়ে গেছি এতদিন পর্ন দেখে। সেক্সের সময় শব্দ কেমন হয় তা আমার জানা। তাই শব্দটা মেলাতে পারলাম না। কিছু না ভেবে দরজার লকের হোলে চোখ রাখলাম। সৌভাগ্য যে ছোট করে রুমটা দেখতে পাচ্ছি। আর যা দেখলাম তা ভাবতেও পারিনি।

আপু বিছানার পাশেই ফ্লোরে পড়ে আছে উপুড় হয়ে আর গোঙাচ্ছে। আপুর গায়ে শুধু একটা লাল পেন্টি ব্রা। আপুর এই অবস্থা দেখে আমি ভয় পেয়ে গেলাম। আপু আপু বলে ডাকতে লাগলাম। তখনই পড়ে থাকা আপু দরজার দিকে তাকিয়ে হাত বাড়িয়ে বাচানোর আকুতি করছে। আমি কি করবো বুঝতে পারছিলাম না। মাথায় ছিল আপুকে বাচাতে হবে। কাওকে ডাকতে যাবো তাতে সময় নষ্ট হবে ভেবে বেশি সময় না নিয়ে লাথি দিয়ে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে পড়ি। দৌড়ে আপুর কাছে যেতে যেতেই বিছানার চাদর নিয়ে আপুকে আগে মুড়িয়ে তাকে ধরি। আপুকে একটুও এই অবস্থায় দেখিনি কারণ আপুকে প্রচণ্ড শ্রদ্ধা করি আর তাকে অর্ধনগ্ন দেখবো কি করে?? আর সেও লজ্জিত হবে।

আপুকে ধরে তুলতে তুলতেই আপু আমায় জরিয়ে ধরে কানের কাছে এসে খুব কষ্টে শুধু বলল- আমার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে সোনা।

(বলে রাখি আপু আমাকে সবসময় সোনা বলে ডাকে। বাহিরে হোক বা ঘরে। সবাই জানে)

বলেই আপু ধপ করে আমায় ছেড়ে দিয়ে আমার উরুর ওপর লুটিয়ে পড়ল। কয়েক সেকেন্ড সবকিছু স্তব্ধ হয়ে গেল। আপু গালে নাকে কোনো শ্বাস প্রশ্বাস হচ্ছেনা। সাথে সাথে এক পরিচিত ডাক্তারকে ফোন করলাম। সে বলল আপুর বুকে প্রেস করতে আর সিপিআর করতে। আমি কোনো দেরি না করে আপুর বুকের ওপর দিকটায় হাত রেখে প্রেস করতে করতে আপু একটা ঝটকা দিয়ে হা করে উঠল। বুঝতে পারলাম নিশ্বাস নিতে পারছে না। তখন সাথে সাথে আপুর মুখে মুখ লাগিয়ে নিজেই আপুকে সিপিআর দিতে লাগলাম। আপু তখন আমার এক হাত ও আমার গলায় খামছে ধরে আরও চেপে ধরল ঠোটে ঠোট ও নিশ্বাস নিতে লাগলাম।

আমার চোখের সাথে আপুর চোখ মিলিত। আপুর চোখে যেন বাচার অদম্য চাওয়া। আমি তখন জীবনে প্রথমবার কোনো মেয়ের ঠোটে ঠোট মিলিয়েছি তা আমার মাথায়ই নেই। তাও আমারই আপন বোনের যে কিনা পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী নারী আমার কাছে। আপুর মুখে শ্বাস দিতে দিতে আপুর শরীর আস্তে আস্তে নিস্তেজ হয়ে লুটিয়ে পড়ল। এবার আপুর বুক উঠানামা করছে ও স্বাভাবিক লাগছে। চাদরটা পেচিয়ে আপুকে কোলে তুলে বিছানায় শুইয়ে দিই। এদিকে ডাক্তার চলেও আসে বাসায়। আপুকে একটা ইনজেকশন দিয়ে চলে যায়। ঘন্টাখানেক পর আপু চোখ খুলে। আমি খুশিতে আপুকে জরিয়ে কেদে দেই। আপু আমার কপালে চুমু দিয়ে বলল- কাদছো কেন পাগল ছেলে?
আমি- খুব ভয় পেয়ে গেছিলাম আপু।








আপু- এইতো ঠিক হয়ে গেছি বোকা। কেদোনা। তুমি আমার জীবন বাঁচিয়েছ। আমার মনে হয়েছিল আমি হয়তো শেষ।
আমি আপুর মুখ চেপে বলি- এসব বলোনা আপু। তোমায় ছাড়া আমি বাচবোনা। আমার তুমি ছাড়া আর কেও নেই। আমায় ছেড়ে যেওনা প্লিজ।
আমি- আপু, আমি কিছু না বুঝে সিপিআর দিতে ঠোটে,,,,,,
আপু আমায় জরিয়ে ধরে বলে- সিপিআর দেওয়ায়ই আমার জীবন বেচেছে সোনা। তুমি কোনো অপরাধ করোনি। কোনো চিন্তা করোনা।
আমি- এখন কেমন লাগছে আপু?
আপু- যেখানে আমার সোনা ভাইটা আমায় নতুন জীবন দিয়েছে, তা কি আর খারাপ লাগতে পারে?
আমি- আচ্ছা আপু, তুমি প্লিজ কাপড় পড়ে নাও। আমি তাড়াহুড়া করে চাদর দিয়ে ঢেকে রেখেছি। সত্যি বলছি আমি কিছুই দেখিনি আপু।

আপু অপলক কয়েক মুহুর্ত তাকিয়ে রইল আমার দিকে। তারপর আমার হাত ধরে আশ্বাস দিয়ে বলল- আমি জানি তুমি আমায় কখনো লজ্জিত করবেনা। আমার সোনা ভাই।

বলে আপু আমার কপালে চুমু দিল জরিয়ে ধরে। আমি কিচেনে গিয়ে সুপ করে আনি ও আপুকে খাইয়ে দিই। সেদিন রাতে সারারাত আপুর পাশে বসে থাকি যেন আপুর কোনো প্রয়োজনে থাকতে পারি। ক্লান্তিতে ঘুমিয়ে পড়ি। হঠাত একটা স্বপ্ন দেখলাম যা একদম অপ্রত্যাশিত। দেখলাম আপু শুধু ব্রা পেন্টি পড়ে আমার কাছে এসে আমায় জরিয়ে ধরেছে ও ঠোটে কিস করছে। আপুর কি মারাত্মক ফিগার। আমার হাত আপুর কোমরে পেন্টি থেকে একটু ওপরে আর খোলা পিঠে।

হঠাতই ঘুম ভেঙে যায়। নিজেকে খুবই অপরাধী লাগছিল। একি দেখছি আমি ছি! তখনই আপুর দিকে চোখ পড়ে। আপুর ডান কাত হয়ে শুয়ে আছে। আপুর পড়নে শুধু টিশার্ট আর গেন্জি কাপড়ের প্লাজো। টিশার্ট উঠে আপুর নাভিসহ পেটের অনেকটা অংশ বের হয়ে আছে। আমার চোখ ছানাবড়া হয়ে গেল তা দেখে। এস মসৃণ ও ফর্শা আর সুন্দর গঠনের পেট কারও কি হয় তা ভেবে পাইনা। পেটের উঠানামার সাথে নাভিটা আরও ভালো লাগছিল।

নাভির তিন চার আঙুল নিচে প্লাজো পড়া আপু। আমার আগে এত কাছ থেকে কখনো কারও এমন দেখিনি। তাই কেন জানিনা গরম হয়ে গেলাম। আমার বাড়া ফুলে ঢোল হয়ে গেল। পাগল হয়ে যাবার জোগার। ইচ্ছে করছে আপুর নাভিতে মুখ ডুবিয়ে খেয়ে ফেলি। কিন্তু তাতো সম্ভব না। পাগল হয়ে যাচ্ছি। তাড়াতাড়ি বাথরুমে গিয়ে হাত মেরে শান্ত হই। ঘুমিয়ে আপুকে নিয়ে চোদার স্বপ্নদোষ করলাম। মাথা থেকে কোনোভাবেই আপুকে সরাতে পারছিনা। কোনো রকমে ঘুমিয়ে উঠলাম সকালে। উঠে দেখি বিছানায় আপু নেই। তাড়াতাড়ি খুজতে লাগলাম। দেখি আপু কিচেনে।

আমি পিছনে দেখে অপলক তাকিয়েই আছি। একদম স্কিনার টাইস পড়েছে আপু। পাছা যেন ছিড়ে বেরিয়ে আসবে এমন দশা। কিছু না পড়াই যেন এর চেয়ে ভালো। পাছার গড়ন একদম স্পষ্ট হয়ে খাজে ঢুকে গেছে। সেলাই না থাকলে পোদের ফুটোটাও দেখা হতো। আর ম্যাগিহাতা গেন্জি। আপুকে আগেও এমন দেখেছি। কিন্তু আজ আমার দৃষ্টি পাল্টে গেছে। আপুকে সেক্সিনেসের দিক থেকেই দেখে চলেছি। পারছিনা সাধারণভাবে দেখতে। আমি দারিয়ে আছি। হঠাত আপুর ছোয়ায় কল্পনার জগত থেকে বের হলাম।
আপু- কি হয়েছে? কি ভাবছো সোনা?
আমি- কিছুনা। তুমি কিচেনে কেন? রেস্ট নিতে হবে।
আপু- আপুর কথা এত ভাবো? আমার কিছুই কষ্ট হচ্ছে না। চিন্তা করোনা। একদম ফিট আছি।
আমি- তাই লাফালাফি করতে হবে?
আপু- আরে বোকা। সমস্যা নেই। সুস্থ আছি আমি।
বলেই আপু আমার কোমড়ে ধরে টেনে টেবিলে এনে বসাল। দুজন মিলে খেয়ে নিলাম। খাওয়া শেষে অজান্তেই বলে ফেলি- আপু, তুমি না আহ ভীষণ সুন্দর লাগছো.
আপু মুচকি হেসে বলল- আগে লাগতাম না?
আমি- আরে না না। আসলে আগে কখনো এত খেয়াল করিনি।

আপুর নজর তীক্ষ্ণ হলো। আমি ভয় পেয়ে গেলাম। কিন্তু আপু বলল- আজ দেখছো?
আমি- আপু, খারাপ মনে করোনা প্লিজ। আমি বাজে চিন্তা করে বলিনি।

আপু আমার গালে আলতো আদূরে চিমটি কেটে মুচকি হেসে আমার হাত ধরে সোফায় বসল। আমি বুঝতে পারছিনা কি হচ্ছে।
আপু- আমার একটা কাহ করে দিবে সোনা?
আমি- কি আপু বলো। যা বলবে তাই করবো।
আপু- আমার শরীরটা কি একটু মাসাজ করে দিবে সোনা? শুয়ে থেকে থেকে শরীরে ব্যথা হয়ে গেছে।

আমারতো এই কথা শুনে নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছিনা। থ হয়ে গেলাম। আপু আমার গায়ে ধাক্কা দিয়ে বলল- এই সোনা। কি হলো? দিবেনা? কোনো সমস্যা আছে?
আমি- না না না না। সমস্যা কিসের? কিন্তু আমি তোমার গায়ে হাত দিবো?
আপু- তাহলে পাশের বাসার দাদুকে ডেকে আনি?
আমি- মানে?
আপু- আমার ভাই আমার গায়ে মাসাজ করার জন্য হাত দিবে তাই কত ভাবনা। তার চেয়ে ভালো অন্য কাওকে দিয়েই করানো।
আমি- এই না না। আমিতো মজা করছি। তোমার কোনে সমস্যা না থাকলে আমারও কোনো সমস্যা নেই।
আপু- এইতো লক্ষী ছেলে। তাহলে আমি গিয়ে রেডি হই। তুমি পাচ মিনিট পরে রুমে এসো।
আমি- আচ্ছা আপু।

পাচ মিনিট পর আপুর রুমে যেতেই আমি যা দেখলাম তা কল্পনাও করিনি। আপু একটা জিম শটস আর জিম টপস পড়া। আমিতো ভেবেছিলাম এমনিই শরীর মাসাজ করাবে। এখানে আপু এই রূপ দেখাবে তা ভাবিনি। আপুকে প্রথমবার এইরূপে দেখে আমি থতমত খেয়ে গেছি। আপু এসে আমায় নাড়িয়ে বলল- কি হয় একটু পরপর তোমার?
আমি- সত্যি বলতে আপু তোমায় কখনো এমন রূপে দেখিনিতো। তাই বুঝতে পারছিনা কিছু। ঘোরে ডুবে যাচ্ছি।
আপু- এমন রূপ বলতে???
আমি-এখন যেমন আছো। আগে কখনো তোমায় এসব পোশাকে দেখিনি।

আপু আমার কথা উড়িয়ে মুচকি হেসে বলল- শোনো। আমরা ভাইবোন, বাহিরের কারও সামনে সমস্যা ছিল। কিন্তু তোমার আমার মাঝেতো আর কোনো লজ্জা বা সংকোচ থাকা উচিত না তাইনা?
আমি- তা ঠিক। কিন্তু তোমার কোনো সমস্যা নেইতো?
আপু- সমস্যা থাকলে কি বলতাম?
আমি- তাইতো। আচ্ছা তুমি যেভাবে খুশি থাকো। আমাদের তাতে কোনো সমস্যা হওয়া উচিত না। ঠিক বলেছ।
আপু- তাহলে আমি শুয়ে পড়ছি। তোমার আমায় মাসাজ করতে কোনো আপত্তি নেইতো?
আমি- না না আপত্তি থাকবে কেন? তুমি শুয়ে পড়ো। তেল রেডি করছি আমি।
আপু আমার হাতে একটা তেলের বাটি দিয়ে বলল- আমি রেডি করে রেখেছি। এই নাও।




Post a Comment

Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.